প্রবন্ধ
কাশ্মীরের শারদাপীঠ ও বিশ্ববিদ্যালয়
প্রবীর আচার্য্য
March 08, 2026
সম্প্রতি আমেরিকা ভারত রাষ্ট্রের একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে। তাতে দেখানো হয়েছে পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের অংশ। সে প্রসঙ্গেই এই প্রবন্ধের অবতারণা।
হিমালয় পর্বতমালার বহু উঁচুতে কাশ্মীর দেশে রয়েছে হরমুখ পর্বত। বর্তমানে জায়গাটা পাক অধিকৃত কাশ্মীর নামে পরিচিত। দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সেই হরমুখ পর্বতের নীচেই রয়েছে নীলম উপত্যকা। তার চারদিক ঘিরে বরফে ঢাকা দুধ সাদা গগনচুম্বী গিরিশৃঙ্গের মালা। উপত্যকাটি কিন্তু নয়নাভিরাম সবুজ বৃক্ষরাজিতে ঢাকা।
প্রবন্ধ
বিচক্ষণ শাসক সম্রাট আকবর
সোমনাথ ভট্টাচার্য্য
March 10, 2026
আকবরের শাসননীতি তাঁর বাস্তব রাজনীতির পরিচয় বহন করে। ভারতবর্ষের মুসলমান শাসকবর্গের মধ্যে আকবর ছিলেন সর্বাপেক্ষা উদার, পরধর্মমত-সহিষ্ণুতা, সমদৃষ্টি, ধর্মনিরপেক্ষতার প্রবর্তক। কেবল মাত্র সমর কুশলীবীর হিসাবেই নয় একজন সুশাসক হিসাবেও শাসক আকবর ভারতবর্ষের রাজনীতিতে স্মরণীয় হয়ে আছেন। ভারতবর্ষে তিনিই প্রথম মুসলিম শাসক যিনি রাজনীতি থেকে ধর্মকে সম্পূর্ণ পৃথক করেন ও রাষ্ট্রকে উলেমাদের প্রভাব থেকে মুক্ত করে ভারতে একটি জাতীয় রাষ্ট্র গঠনে সচেষ্ট হন। জাতি-ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সকল প্রজাকে সমান অধিকার ও মর্যদায় প্রতিষ্ঠিত করে শাসক আকবর ‘জাতীয় সম্রাট’ পরিণত হয়েছিলেন। শাসক আকবরের শাসন ব্যবস্থায় ‘প্রজাহিতৈষনা ও ধর্মনিরপেক্ষতা’ ছিল মূল স্তম্ভ। প্রচলিত ভারতীয় রীতি-নীতি, গ্রামীন স্বায়ত্ব শাসন ব্যবস্থা কোন কিছুই শাসক আকবর উপেক্ষা করেননি। তাঁর শাসন ব্যবস্থা জনসাধারণের সমর্থনের ওপর নির্ভরশীল ছিল। উদারতা, ধর্মসহিষ্ণুতা ও প্রজাবর্গের সর্বাধিক কল্যান সাধনই ছিল তাঁর শাসন নীতির মূল কাঠামো। ঐতিহাসিক Smith বলেন “From the time of Warren Hastings the newly constituted Anglo-Indian authorities began to grope their way back to the Institutions of Akbar”.
(পরবর্তী-মুঘল সম্রাটরা তো বটেই এমন কি ইংরেজ শাসক দল ও অনেকাংশে তাঁর শাসন
নীতি গ্রহণ করেন।)
